বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

আলোকপাত: রাজাকারের তালিকাটা করলো কারা?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৮ Time View

-জসিম মুহাম্মদ রুশনী: সর্ষেয় যদি ভূত থাকে, সে ভূত তাড়ানো যায় না। বরং ভূত তাড়ানোর নামে বারোভূতের কেত্তন চলতে থাকে। সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া “রাজাকারের তালিকা” দেখে এই কথাটাই উঁকি দেয় মনের কোণে, বড্ডো কড়াভাবে। একটি দেশ স্বাধীন হলো ৪৮ বছর আগে। সঙ্গতঃ কারণেই বলা চলে – মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকারদের একটি বিশাল অংশ এখন বেঁচে নেই। বেঁচে থাকারাও জীবনের শেষ বিকেলে। পদ্মা মেঘনা যমুনার স্রোতের মতো মানুষগুলোর জীবনেও এসেছে নানা পরিবর্তন।

স্বাধীনতার সংগ্রাম ও এর ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘ চার যুগ ধরেই চলছে রাজনীতির কানামাছি। যখন যারা গদিতে বসেছে তখন তারাই নিজেদের ইচ্ছের রঙ দেওয়া ইতিহাসকে চাপিয়ে দিয়েছে জাতির মাথায়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বেড়ে উঠেছে একটি দ্বিধারেখার মাঝে। বিভাজনটা অনিবার্য ছিলো। কিন্তু সেই বিভাজনকর্মে প্রতিবিপ্লবীরাই বেশি পারঙ্গমতা দেখিয়েছে। স্বাধীনতার সপক্ষরা ব্যর্থ, তবে সর্বৈব নয়।

মূল জনগোষ্ঠীর বিশেষ একটি শ্রেণির প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের শাণিত চেতনা ওরা দিতে পেরেছে বটে, তবে ভুল চেতনাটা ছড়িয়ে পড়েছে বেশি। যার অশুভ ও অনিবার্য প্রভাব এখানেও পড়লো। বলছি রাজাকার তালিকার কথা। স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা একটি স্বচ্ছ ইতিহাস উপহার দেবে – এমনটাই ছিলো জনপ্রত্যাশা।

কিন্তু তাদের মাঝেই যে ঘাপটি মেরে বসে আছে প্রতিবিপ্লবী চক্রের সদস্যরা, সেটা যেন নগ্ন হয়েই ধরা পড়লো এই তালিকাকর্মে। রাজাকারের দল হিসেবে পরিচিত জামাত, কিন্তু প্রকাশিত তালিকায় ৪০ জনেরও কম মানুষ পড়েছে জামাত থেকে। আর অন্যদিকে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে নূতন তালিকায়। এটা কী পরিকল্পনা ছাড়া হয়েছে বলা যাবে? কখনোই নয়।

আওয়ামী দূর্গে নিরাপদে অপেক্ষায় থাকা মামদোভূতগুলো সুযোগ পেয়েই মোক্ষম একটা ঘাঁই মেরেছে। নিঃসন্দেহে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর তালিকাপ্রকাশ পরবর্তী কথা আরও লজ্জাজনক। তিনি ক্ষমা চেয়ে দায় সেরেছেন। কিন্তু এই ভুল কী ক্ষমাযোগ্য? দুঃখজনক বিভাজন রেখাটি আরও একবার পষ্ট হলো।

এখন তালিকাকে কেন্দ্র করে ওরা শুরু করবে নূতন যুক্তির পত্তন। প্রকৃত রাজাকারের পরিবারও বলবে – “আমার বাবার নাম ভুলে এসেছে।” এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার কারিগরদের চিহ্নিত করতে না পারলে ইতিহাসটা আরও বিকৃতির দিকেই যাবে।

(জসিম মুহাম্মদ রুশনী // শিক্ষক, কবি ও কলামিস্ট)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102