রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

ইবিতে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৯১ Time View

ইবি প্রতিনিধি-
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষদ ভবন থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে মিলিত হয়। পরবর্তীতে অনুষদ ভবনের ৪২৬ নং রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভার সভাপতি প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক ও কলা অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ইউসুফ। এছাড়াও প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর ড ওয়াবাইদুল ইসলাম, প্রফেসর ড. আব্দুল মুত্তালিব, প্রফেসর ড. এ কে এম সামসুল হক সিদ্দিকী, প্রফেসর ড কামরুল হাসান প্রফেসর ড. সাইফুল গনী নোমানসহ বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এর দাপ্তরিক ভাষা ছিল পাঁচটি। ইংরেজি, ফ্রান্স, চীন, রুশ ও স্প্যানিশ। আর বিশ্বের বিভিন্ন দিক থেকে বিশেষ ভূমিকা ও আরবি ভাষা ব্যবহারকারীর সংখ্যা সুবশী হওয়া সত্ত্বেও আরব নেতাদের আরবি ভাষা ব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না। ভিনদেশী ভাষাতেই তাদের বক্তব্য প্রদান ও শ্রবণ করতে হতো। দাপ্তরিক কাগজপত্র আরবি থেকে অনুবাদ করে তা দাপ্তরিক ভাষায় উপস্থাপন করতে হতো। এ অবস্থা আরবদের জন্য ও বিশেষভাবে আরবি ভাষার জন্য ছিল লজ্জাজনক। তাই শুরু থেকেই আরব নেতারা এদিকে সজাগ ছিলেন। সর্বপ্রথম সৌদিআরব ও মরক্কো সরকার এবিষয়ে কথা বলেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৫৪ সালে ৪র্থ ডিসেম্বর তাদের নবম অধিবেশনে ৮৭৮ নং প্রস্তাবে আরবি ভাষায় লিখিত অনুবাদ প্রকাশের বৈধতা প্রদান করে। এবং বছরে চার হাজার পৃষ্ঠা অনুবাদের একটি সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। সাথে সাথে এ শর্ত জুড়ে দেয়া হয় যে, অনুবাদের ব্যয়কৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশকে বহন করতে হবে এবং নথি ও কাগজপত্র আরব এলাকার রাজনৈতিক ও আইন বিষয়ক হতে হবে।

১৯৬০ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ‘‘ইউনেস্কো’’ আরব দেশগুলোতে আরবি ভাষায় সভা, সেমিনার ও জাতীয় সম্মেলন পরিচালনা এবং তাদের নিজস্ব নথিপত্র ও প্রচারপত্র আরবিতে প্রকাশ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো সাধারণ সভাগুলোতে ভিন্ন ভাষা থেকে আরবি ভাষায় এবং আরবি ভাষা থেকে ভিন্ন ভাষায় তাৎক্ষণিক অনুবাদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পর্যায়ক্রমে ১৯৬৮ সালে অনুবাদের সাথে সাথে আরবি ভাষাকে ইউনেস্কো সাধারণ সভা ও কর্ম পরিষদের কার্যকরি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই ধারাবাহিকতার সাথে সাথে আরব বিশ্বের কূটনৈতিক চাপ ও চেষ্টা অব্যাহত থাকে। এতে সৌদি ও মরক্কো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। শেষ পর্যন্ত তারা ১৯৭৩ সালে আরবি ভাষাকে জাতিসংঘের সাধারণ সভার মৌখিক ভাষা হিসেবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাতে সমর্থ হয়। পরবর্তীতে আরব লীগে তাদের ষাটতম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেয় যে, আরবিকে জাতিসংঘসহ তার অন্যান্য সংস্থাগুলোর দাপ্তরিক ভাষা করতে হবে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের ২৮ তম অধিবেশনে ৩১৯০ নং সিদ্ধান্তে আরবি ভাষাকে জাতিসংঘ ও তার সংশ্লিষ্ট সংস্থার দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

২০১২ সালের অক্টোবরে ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের বৈঠকের ১৯০ তম অধিবেশনে ১৮ই ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস ঘোষণা করা হয় এবং এর পর থেকে সেই দিনটি ‘আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আরবি ভাষা বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে সৌদিসহ অন্য আরব দেশগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে শুরু করেছে।

আলোচনা সভার সভাপতি প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আরবি ভাষা শুধু মাত্র সাহিত্যের ভাষা নয় এটি সমগ্র ভাষার প্রাণ। কারণ এই ভাষা অন্য সকল ভাষার সাথে মিশে আছে। আরবি একটি বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা। মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থের ভাষাও আরবি এবং মৃত্যর পরে পরকালে তাদের ভাষা হবে আরবি।

এম বি রিয়াদ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102