বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

আমি মুসলিম নই, তবু প্রতিবাদ করব

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬২ Time View

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। রোববার দিল্লির জামিয়া মিল্লিয়া এবং উত্তর প্রদেশের আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

বিক্ষোভ হয়েছে হায়দারাবাদের মৌলানা আজাদ, যাদবপুরসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে আহত হয় অনেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে আটক করা হয় শতাধিক শিক্ষার্থীকে।

ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে আসা এক নারী শিক্ষার্থী কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন। তিনি এবং আরও অনেকেই আতঙ্কে হোস্টেল ছেড়ে যাচ্ছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম শিক্ষার্থীদের জন্যে দিল্লি সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা এবং এটি একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আমি ভেবেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হবে, আমাদের কিছুই হবে না। আমরা সারারাত ধরে কেঁদেছিলাম, কী হচ্ছে এসব।

ক্ষুব্ধ ছাত্রীটি বলেন, আমি এই গোটা দেশে নিরাপদ বোধ করছি না। কোথায় যাব এবং কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেবো তা আমি জানি না। আগামিকাল আমার বন্ধুরা ভারতীয় থাকবে কিনা তা জানি না।

তিনি বলেন, আমি তো মুসলিম নই। তবুও আমি প্রথম দিন থেকে এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভের প্রথম সারিতে রয়েছি। কেন? আমার পরিবারের কী হয়েছে তা নিয়ে কেউ প্রশ্ন করতেই পারেন … কিন্তু আমি মনে করি আমরা যদি সত্য়ের পাশে দাঁড়াতেই না পারি তবে আমাদের পড়াশুনা কী কাজে লাগবে”, বলেন ওই ছাত্রীটি।

ওই শিক্ষার্থী বলেন,এই ঝামেলা শুরু হওয়ার সময় আমরা লাইব্রেরিতে ছিলাম; সুপারভাইজারের কাছ থেকে আমরা ফোন পাই যে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। আমি সবে বেরোতে যাব, তখনই একটি ভিড় গ্রন্থাগারের দিকে ছুটে আসে এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে গ্রন্থাগার চত্বর ভরে যায়।

তিনি বলেন, আমি কিছু ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ​​দেখতে পাই। সেই সময়েই পুলিশ ভেতরে এসে গালিগালাজ করতে শুরু করে। তারা সবাইকে সরে যেতে বলছিলেন।

ওই ছাত্রী বলেন, আমরা হাত ওপরে তুলে ধরে যাচ্ছিলাম। অবশেষে আমি আমার হোস্টেলে পৌঁছাই। তখনই কিছু ছেলে ছুটে এসে আমাদের হোস্টেলে খবর দেয় যে কিছু নারী পুলিশ আমাদের মারধর করতে আসছে। আমি তখন পাশের ঝোপের দিকে ছুটে যাই ও সেখানে লুকিয়ে পড়ি। তারপরে আমি আমার হোস্টেলে ফিরে আসি। আমি আরও অনেক ছেলেকে দেখি যাঁদের পোশাক রক্তাক্ত ​​ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102