বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬১ Time View

মুসলিম ভয়েস ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ আয়োজিত গণকাল সোমবার বিজয় দিবসে আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। এসময় দুর্বৃত্তরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকা একদল দুর্বৃত্ত মঞ্চ, অতিথিদের চেয়ারসহ বিভিন্ন জিনিস গুড়িয়ে ফেলে।

এ অনুষ্ঠানটিকে ঘিরে পুলিশের কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার অভিযোগ রয়েছে। সকাল সোয়া ৯টায় শহরের জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে। হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা জেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অনুষ্ঠান স্থলে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি বলেন, যারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি গুড়িয়ে দিয়েছে তারা প্রকৃত রাজাকার।

এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, জেলা আ.লীগের এক নেতার নির্দেশে তার অনুসারীরা এই হামলা করেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি যারা এ হামলা চালিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক। এটি জেলা পরিষদের আয়োজিত সরকারি অনুষ্ঠান। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আইনগণ ব্যবস্থা নেব। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার জানান, ভাঙচুর সম্পর্কে জানিনা।

বিএনপির মিছিল যাওয়ার সময় এটা করছে। সমস্ত মুক্তিযোদ্ধারা জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে ছিল। ভাঙচুরের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, ঘটনার সময় আমরা জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে ছিলাম। এ ঘটনার তদন্ত করছি। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে জেলা পরিষদ ১৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। প্রত্যেককে উত্তরীয়, নগদ অর্থ, শাল ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছাও জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নওয়াব আসলাম হাবীব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102