বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

৬ মাস পর পর এই শিশুটির চামড়া বদলায়

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫০ Time View

নাম তার জগন্নাথ প্রধান। আর দশটা সাধারণ বালকের মতো নয় সে। অদ্ভুত চেহারা যে কোনো মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে পারে। বিরল রোগে আক্রান্ত এই বালক ছয় মাস পর পর সাপের মতো খোলস বদলায়। পুরান চামড়ার বদলে দেখা মেলে নতুন

চামড়ার।শুনতে খুব সহজ মনে হলেও বিষয়টি অত সহজ নয়। খুব কষ্টে সময় পার করছে জগন্নাথ। ভারতের ওড়িশ্যার গাঞ্জাম জেলার বালক জগন্নাথ প্রধান। বয়স মাত্র ১০ বছর।

সাপ যেমন একটি নির্দিষ্ট সময় পর খোলস ছাড়ে, অনেকটা তেমনই চামড়ার বদল হয় তার। ডাক্তারি বিদ্যায় জগন্নাথের এ রোগের নাম ‘ল্যামেলার ইচথিয়োসিস’। বিশেষজ্ঞরা

বলছেন, অত্যন্ত বিরল রোগের মধ্যে পড়ে এ রোগ। পৃথিবীতে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৬ লাখ।জগন্নাথের এ রোগটি কয়েক বছর আগে দেখা দেয়।

এক সময় বাবা-মা খেয়াল করেন ছোট্ট শিশু জগন্নাথের চামড়া ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। এরপর একটা সময়ে সাপের খোলস ছাড়ার মতো উঠে যাচ্ছে তার

চামড়া।বিষয়টি একসময় ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। ত্বকের শুষ্কতা এতটাই বাড়তে থাকে যে ছোট্ট শিশুটির নড়াচড়া করার মতোও অবস্থা ছিল না। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন বছরের পর বছর। ডাক্তারের দেখিয়েও লাভ হয়নি।

ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারেন না বাবা-মা। জগন্নাথ যখন অসহ্য যন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠে তখন তার কষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্য শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার মাখা হয় কিছুটা নরম

রাখার জন্য। তাতে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হয়।একপর্যায়ে শক্ত হয়ে যায় জগন্নাথের শরীরের চামড়া। ধীরে ধীরে তা উঠা শুরু হয়।

এই সময়টাতে সে মোটেই নড়াচড়া করতে পারে না। এমনকি চোখের পলকও ফেলতে পারেনা জগন্নাথ। ভীষণ কষ্টে তার দিন কাটে। নিরবে চোখের পানি ফেলা ছাড়া কিছুই

করার থাকে না বাবা-মার।জগন্নাথের বাবা বলেন, ডাক্তাররা বাহিরে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার কথা বলছেন কিন্তু আমি তো গরিব মানুষ। ছেলের এই কষ্ট নিরবে হজম করা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102