শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! Splash Chia Seeds To Supercharge Your Metabolism, Burn Fat And Fight Inflammation ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

স্কয়ার হাসপাতালে ২২ ঘণ্টারও বিল ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৭৪ টাকা !

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯
  • ৩২৭ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী ফিরোজ কবীর স্বাধীনকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তির পর ২২ ঘণ্টারও কম সময়ে বিল এসেছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৭৪ টাকা। এত কম সময়ে কী করে এত টাকা বিল হলো, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ফিরোজের পরিবারসহ তার সহপাঠীরা। এদিকে বিল নিয়ে কথা বলতে গেলে সাংবাদিকদেরকে কোনও তথ্য দিতে পারেনি স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ফিরোজের বড় ভাই মো. ফজলুল করীম বিস্ময় প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কেবল কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার, ১ দিনও পার হয়নি। এর ভেতরে কী করে এত টাকা খরচ হলো, সেটাই আমরা বুঝতে পারছি না।’ হাসপাতালগুলো রোগীদের অসহায়ত্ব নিয়ে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ফিরোজ কবীর স্বাধীনের হাসপাতালের বিল থেকে দেখা যায়, ওষুধ বাবদ ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ৩২১ টাকা ৫১ পয়সা, ল্যাবরেটরি চার্জ ৭৩ হাজার ৮৩৬ টাকা, মেডিক্যাল হসপিটাল সাপ্লাইতে বিল হয়েছে ১০ হাজার ২১৯ টাকা এবং বাকি টাকা অন্যান্য কয়েকটি খাতে ধরা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে মারা যান ফিরোজ। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্কয়ারে আনা হয়েছিল।

ফজলুল করীম বলেন, তারা দুই ভাই, দুই বোন। তিনি সবার বড়। মাঝে দুই বোনের পরে সবার ছোট ছিল ফিরোজ। ‘ছোট ভাইকে খুব আশা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সেই ভাইটা মারা গেলো বড় ভাই-বোনদের রেখে। এ শোক আমাদের কাটবার নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102