শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

বয়ানে শ্রোতা কাঁদে কেন? সবাই কি কাঁদে? হাবিবুর রহমান মিছবাহ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫৩ Time View

বয়ানে শ্রোতা কাঁদে কেন? সবাই কি কাঁদে? না সবাই কাঁদে না। কেন কাঁদে না? সহজ উত্তর, চোখের পানি বান্দার আমলের ওপর নির্ভর করে। মা মারা গেলে সন্তান কাঁদে৷ কেন কাঁদে? মায়া আছে তাই। প্রতিবেশী কাঁদে না কেন? মায়া নাই তাই!

সব খবর সবার আগে পেতে গ্রুপে জয়েন করুন 

ঠিক তদ্রুপভাবে যার অন্তরে আল্লাহর মায়া ও ভয় আছে, সে কবরের কথা শোনলে কাঁদে। জাহান্নামের কথা শোনলে কাঁদে। মাঝে মাঝে সহ্য করতে না পারলে চিৎকারও দেয়। কখনও কখনও লাফও দেয়। এগুলো বান্দার অন্তরের ব্যাপার। যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। অতএব, যে বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না, সে বিষয়ে নাক না গলানোই ভালো।

কথা ক্লিয়ার? নাকি কোনো ভেজাল আছে?

যারা লাফালাফির বিরোধিতা করছে, তাদের বিরোধিতায় রয়েছে প্রতিহিংসা উগ্রতা ও ব্যঙ্গোক্তি। পক্ষে যারা, তাদের মাঝেও রয়েছে অতি বাড়াবাড়ি। উভয়ের রেষারেষি শুধুই জেতার জন্য। এই জেতার নেশা-ই একদিন হারিয়ে দেবে আমাদের।

লাফালাফি স্রেফ ব্যক্তি আমল৷ এগুলো কোনো শরিয়তও নয়। ব্যক্তির অবস্থার ওপর নির্ভর করে এগুলো ঘটে থাকে। ব্যক্তি আমল শরিয়ত নয়, নয় কোনো দলীলও। ব্যক্তি আমল শরিয়তপরিপন্থী না হলে, তা নিয়ে হৈ চৈ করা নিছক ছোটলোকি।

যারা লাফায়, তারা সবাইকে লাইফাইতে বলে না। যাদের বয়ানে লাফায়, তাঁরাও লাফাইতে বলেন না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিষেধও করেন। কখনও কখনও ধমকও দেন। সতর্কও করেন ইচ্ছা করে লাফ বা চিৎকার দিলে কবিরা গুনাহ হবে বলে।

যারা বিরোধিতা করেন, দু’চারজনের লাফালাফিতে লক্ষ লক্ষ সুন্নাতে পাবন্দী কাফেলাকে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে উপহাস করা কোন্ শরিয়ত? এতে কি গুনাহ হবে না? আবার অন্যপক্ষ লাফালাফি হালাল করতে ঝাঁপিয়ে পড়বে কেন? ব্যক্তির আমলের ওপর নির্ভর করে যে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়, তা কোনো শরিয়তই নয়। তাহলে ব্যক্তির আমলের প্রতিক্রিয়া নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ কাঁদা ছোড়াছুড়ির কোনো যুক্তি আছে?

সব খবর সবার আগে পেতে গ্রুপে জয়েন করুন 

cover photo, No photo description available.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102