রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

নতুন করে আরেকটি মুসলিম বিরোধী তালিকা করছে: মোদি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭৭ Time View

বিতর্কিত নাগরিক পঞ্জি ও নাগরিকত্ব আইনের পর এবার ভারত জুড়ে আদমশুমারি ও জনসংখ্যা জরিপ (ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার) করার পরিকল্পনা করছে মোদি সরকার তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। আগামী বছর থেকে ওই আদমশুমারি শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।

তবে, সমালোচকেরা বলছেন, তালিকাটি হবে আরেকটি মুসলমান বিরোধী তালিকা। কেননা জরিপ চালানোর সময় কোনও নাগরিক সম্পর্কে যদি কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়, তাহলে তাকেই প্রমাণ করতে হবে তিনি ভারতের নাগরিক।

ভারতে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে অব্যাহত বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন করে একটি আদমশুমারি ও জনসংখ্যা জরিপের জন্য তহবিল অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, এই জরিপ ভারতের সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের ওপর চালানো হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই আদমশুমারি ও জনসংখ্যা জরিপ চালানো এজন্য মোদি সরকার প্রায় চার হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে।

এছাড়া আরো প্রায় নয় হাজার কোটি রুপি ব্যয় হবে আদমশুমারি চালানোর জন্য। কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি হবে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ, অর্থাৎ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল রাজ্যের সব সাধারণ বাসিন্দার ওপর একযোগে এই জরিপ চালানো হবে।

সরকার বলছে, কোন নাগরিক যদি কোন এলাকায় অন্তত ছয় মাস বাস করে অথবা কোন নির্দিষ্ট এলাকায় ছয় মাস বা তার বেশি সময় বসবাসের পরিকল্পনা করে, তাহলে তাকে সাধারণ বাসিন্দা হিসেবে গণ্য করা হবে।

এর মানে হচ্ছে এখন ভারতে বসবাসরত বিদেশিরাও এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত হবেন। কিন্তু সমালোচকেরা বলছেন, জরিপ চালানোর সময় কোন নাগরিক সম্পর্কে যদি কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি ভারতের নাগরিক।

এর ফলে যে কোন নাগরিকের অ-ভারতীয় হিসেবে নথিভুক্ত হবার আশংকা থেকে যায় বলে মনে করেন সমালোচকেরা। এর আগে গত আগস্টে আসাম রাজ্যে বিতর্কিত নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) বাস্তবায়ন করে সেখানকার বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকার।

এর উদ্দেশ্য ছিলো মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কায়দা করে বহিরাগত হিসাবে ঘোষণা করা। এটি বাস্তবায়িত হওয়ার পর দেখা যায় আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছে ১৯ লাখের বেশি মানুষ। এদের মধ্যে বাঙালি হিন্দুর সংখ্যা ১০ থেকে ১২ লাখ।

আর বাঙালি মুসলিম বাদ পড়েছেন দেড় থেকে দু’লক্ষ। এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর চলতি মাসের গোড়ার দিকে বিরোধী দলগুলোর চরম আপত্তি অগ্রহ্য করে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাস্তবায়ন করে মোদি সরকার। এ আইনের উদ্দেশ্য হলো, দেশে বহিরাগতক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভারতের নাগরিক হিসাবে ঘোষণা করা, যাতে আগামী নির্বাচনে বিজেপির ভোট ব্যাংক আরোও শক্তিশালী হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102