বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

‘জীবিত’ হতে সরকারি দপ্তরে ঘুরছেন ‘মৃত’ আবদুস সামাদ!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০
  • ১০৬ Time View

বাগাতিপাড়া উপজেলার লক্ষণহাটি গ্রামের আবদুস সামাদ (৫০)। তিনি এখনো জীবিত। কাজ করছেন বহাল তবিয়তেই। তবে সরকারি কাগজপত্রে জীবিত থেকেও পাঁচ বছর ধরে ‘মৃত’ হিসেবে চিহ্নিত আছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে বিষয়টি জানিয়েও তিনি সমাধান পাচ্ছেন না তিনি।

সর্বশেষ গত শুক্রবার এলাকার স্মার্টকার্ড পেয়েছেন অনেকে। তবে আবদুস সামাদকে দেয়া হয়নি।ফলে ভোটাধিকারসহ সব ধরনের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি। আবদুস সামাদ লক্ষণহাটি গ্রামের এলবাস আলী ও আয়েশা বেগমের ছেলে।

আবদুস সামাদ বলেন, ‘সরকারি কাগজে ‘মৃত’ থাকায় জাতীয় নাগরিক সনদের সব ধরনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ভেবেছিলাম এবার স্মার্টকার্ড পাবো। এতে হয়তো মৃত বদনাম ঘুচাতে পারব। কিন্তু বছরের পর বছর এ অপবাদ বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। হয়তো সত্যি মরে গেলে কাগজপত্র ঠিক হবে।’

১৯৭০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আবদুস সামাদ। ২০০৮ সালে পান জাতীয় পরিচয়পত্র। তাঁর নাগরিক পরিচিতি নম্বর ছিল ৬৯২০৯০৬৬৯১০৯০। তবে ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাচনে ভোট দিতে গেলে জানাতে পারেন, তিনি ভোট দিতে পারবেন না। কারণ কাগজপত্রে তিনি মৃত হিসেবে লিপিবদ্ধ আছেন।

পরে আবদুস সামাদ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে তাঁকে জীবিত হিসেবে দেখানোর আবেদন করেন। খুব শিগগিরই তা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। কিন্তু তিনি সরকারি কাগজে জীবিত হতে পারেননি। ফলে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি।

বিষয়টির সমাধানে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে দিনের পর দিন ঘুরছেন।গত বছরের অক্টোবরে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফের সরকারি কাগজে জীবিত দেখানোর জন্য আবেদন করেন। আবারও আশ্বাস দেয়া হয়।

গত শুক্রবার উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হয়। সেখানে আবদুস সামাদ কার্ড পাওয়ার আশায় লাইনে দাঁড়ান। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি খালি হাতে ফেরেন তিনি।

বাগাতিপাড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র ইউসুফ আলী বলেন, ‘জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার পরও আবদুস সামাদ কীভাবে মৃত হয়ে গেলেন, তা ভেবে আমিও অবাক হয়েছি। বিষয়টি জানার পর নির্বাচন অফিসে সুপারিশ করেছি কাগজপত্র সংশোধন করার জন্য, কিন্তু সংশোধন হয়নি।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগে কে কী করেছেন বলতে পারব না। প্রায় তিন মাস আগে আবদুস সামাদের ‘মৃত’ সংশোধনের দরখাস্ত এসেছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তা ঢাকায় জাতীয় নির্বাচন অফিসে পাঠিয়েছি। তবে এখনো সংশোধন না হওয়ায় তিনি স্মার্টকার্ড পাননি।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102