বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

চীনের প্রতারণায় মহামারী নোভেল করোনায় ধুঁকছে গোটা বিশ্ব

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৮১ Time View

করোনা ত্রাস গোটা বিশ্বজুড়ে।
লকডাউন চলছে কিন্তু তারপরও দেখছি চীন ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে আর এখান থেকেই উঠছে প্রশ্ন যেখান থেকে এই ভাইরাসের আঁতুড়ঘর তারাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে কি করে?
আদৌ মহামারী নাকি গ্রান্ড বিজনেস প্ল্যান নেপথ্যে কি ষড়যন্ত্র তাই আমি আজ তুলে ধরবো কিছু তথ্য “” করোনার চীনা যোগ”” বিষয়ে।

নোবেল করোনাভাইরাস এই তিন শব্দে তোলপাড় দুনিয়া। কেউ বলছেন এটাই বোধহয় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। কারো মতেই এ যেন যুদ্ধ নয় এ যেনো প্রলয়ের মুখোমুখি দাঁড়ানো। তবে যে দেশ থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি সেই দেশ কিন্তু ইতিমধ্যেই সংকট কাটিয়ে ফেলেছে অনেকাংশে। আর খটকা তো সেখানেই। এই করোনাভাইরাস আসলেই মানুষের হাতেই তৈরি “”বায়োওপেয়ন”” যাকে বলে। এমন দাবি উঠে আসছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। প্রশ্ন উঠছে মারাত্মক এই সংক্রামক রোগের ভাইরাস সম্পর্কে বিশ্বকে কেন প্রথম থেকেই সতর্ক করেনি চীন এই বিশ্বজুড়ে মৃত্যু-মিছিল, ধসে পড়তে যাওয়া অর্থনীতি সবকিছুর দায় আজ চীনকেই নিতে হবে।

অনেকেই বলছেন এই মহামারী কে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছে বেইজিং। সংকট কাটিয়ে উঠে তারা মাস্ক,ঔষধ,ভেন্টিলেটর বিক্রি করছে ইউরোপের দেশগুলোতে।পুরোটাই অদ্ভুত রহস্যে ঢাকা। এমন কি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই বিশ্ব সংকট বিষয় নিয়ে আলোচনা উঠলেই তাও খারিজ করে দিয়েছে চীন। কোভিড-19 যে মানবতার সংকট চীন কি জানেনা? অবশ্যই জানে। তাহলে কেন এই নীরবতা? কোন রাজনীতি লুকিয়ে আছে এর পিছনে?নোভেল করোনা নাকি চীনের ল্যাবরেটরীতে তৈরি? সংকটের মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। কিন্তু কেন? প্রশ্ন অনেক।।।

ইতালি-স্পেন-বৃটেন যখন রণক্লান্ত তখন কি করে অসুখ ও অর্থনীতির মন্দা কাটিয়ে ফেললো চীন?
উল্টো চীনই এখন ইতালি-স্পেন চিকিৎসা সরঞ্জামাদি কিভাবে?
চীনে ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে?
কোন মন্ত্র সংক্রমনের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে ফেললো চীন?
উত্তর জানা নাই তাই সন্দেহ গভীর থেকে গভীরতা হচ্ছে চীনের কমিউনিস্ট সরকারের স্বেচ্ছাচারিতার খবর সর্বজন নিবেদিত মানুষের কথা বলার সুযোগ তো দূরের কথা ইন্টারনেটেও বাছাই করা পরিসেবা মিলে সে দেশে এই পরিস্থিতিতে তো তথ্য লুকানো বা হাতের কারিশমা চিনে ভাইরাস ল্যাবরেটরীতে তৈরি করেছে এই অভিযোগ যারা তুলেছেন তারা বলছেন আগে থেকেও জানা থাকলেও ইচ্ছে করে তথ্য সামনে আনেনি সরকার।

ইউহান এ প্রথম কোভিড-১৯ সংক্রমনের খবর মেলে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ইউহানের ডাক্তাররা সন্দেহজনক ভাইরাস নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। যে আটজন ডাক্তার মুখ খুলেছিলেন তাদের সম্পূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ করেনি চীন। ২৫ ডিসেম্বর থেকে হু হু করে বাড়তে শুরু করে আক্রান্তের সংখ্যা।লিওয়েনলিয়াং নামে এক চিকিৎসক প্রকাশ্যে কোভিড-১৯ এর ভয়াবহতা নিয়ে সতর্ক করেন। উপসর্গের কথা সামনে আনেন। ৩১ ডিসেম্বর ইউহান স্বাস্থ্য দপ্তর ঘোষণা করে নোভেল করোনা ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় না। বলা হয় একজন চিকিৎসা কর্মী ও আক্রান্ত নন। ৩ জানুয়ারি চীন সরকার ডঃ লি ওয়েনলিয়াং এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে মামলা করে। পুলিশের কাছে ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হন চিকিৎসক। তাকে দিয়ে মুচলেকা নিয়ে নেয়া হয়। তারপরেও ইউহানের সব নমুনা পরীক্ষা বন্ধ করে দেয় চীন সরকার। নষ্ট করে দেয়া হয় স্টকে থাকা নমুনাও। পরের কিছুদিন আক্রান্তদের “” নিউমোনিয়ার মতো কিছু হয়েছে “” বলে সরকারি রেকর্ডে নথিভুক্ত করা হয়। ৮ জানুয়ারি ফের বিবৃতি দিয়ে চীন সরকার জানায় মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমনের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

১২ জানুয়ারি করণায় আক্রান্ত হয়ে ডঃ লিওয়েনলিয়াং হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তার মৃত্যু হয়। যাবতীয় পরামর্শ উড়িয়ে জানুয়ারিতেই প্রশাসনের তরফে ৪০,০০০ পরিবারকে শহরে খাবার আদান প্রদানের অনুমতি দেয় ইউহান সরকার। ১৩ জানুয়ারি প্রথম চীনের বাইরে করোনা সংক্রমনের খবর মেলে। আক্রান্ত হয় থাইল্যান্ডের ৬১ বছরের এক বৃদ্ধা।তারপর থেকে কি হয়েছে পৃথিবীর সবাই জানে। তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের মুখোমুখি মানবজাতি। এই যে তথ্য তা স্পষ্ট করেই আঙুল তুলে দেয় চীনের ল্যাব।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দল চীনে যাবার পরেই প্রমাণ জানা যায় মানুষ থেকে মানুষ করো না শুধু সম্ভবই না!হচ্ছেও! সেই সংক্রমনের তান্ডব দেখছে বিশ্বের ১৫০টি দেশ প্রাণহানি,অভাব,মন্দা কি নয়? তবে চীন এখনও নীরব। রাষ্ট্রসংঘের আলোচনার জায়গাটুকুও দিচ্ছেনা। তাহলে কি এই কন্সপিওরেসি থিওরী সত্যিই? আর চীনকে কাটগড়ায় তুলে ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকার মামলা হয়েছে। আমেরিকার টেক্সাসের এক আইনজীবীকে ল্যারি কে লেম্যান ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের মামলা ঠুকেছেন জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে। ডাক্তারদের একাংশ আবার বলছেন, এই নোভেল করোনা ভাইরাস এর যে চারিত্রিক গঠন তাতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হয়ে থাকলেও থাকতে পারে। ষড়যন্ত্র তত্ত্বে নাকি এটাই সত্যি। অনেকেই বলছেন অংকের ফর্মুলা যুক্তি সাজালে চীনের স্ট্রাটেজিক বায়ো ওয়ার্ক ছাড়া আর করোনা কান্ডে কিছুই ধোপে টিকেনা। একটি সূত্র বলছে কানাডার ন্যাশনাল মাইক্রো বায়োলজি ল্যাবে কর্মরত একদল চীনা গবেষকের বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ তোলা হয়। কেড়ে নেয়া হয় তাদের অ্যাক্সেস কার্ড। কানাডার মাইক্রোবায়োলজি বিখ্যাত বিভিন্ন প্যাথোজেন বা মরন ভাইরাস নিয়ে কাজের জন্য। সূত্র বলছে এই গবেষকরা নিয়ম ভেঙ্গে চীন সহ কয়েকটি দেশের প্রোগ্রামের কথা প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন ডক্টর ফ্রান্সিস বয়েল। মার্কিন মানবাধিকার আইনজীবী এবং বায়োওয়েপন আইনপ্রণেতা মনে করেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং তৈরি কারখানা ভাইরাস আদতে একটি মারণাস্ত্র।যেই ইউহান থেকে করোনা ভাইরাসের শুরু সেই ইউহানেই রয়েছে চীনের একমাত্র লেভেল-৪ মর্যাদার বায়োলজির ল্যাবরেটরী। মার্কিন সিনেটর টম কটন,আমেরিকায় একটি শো তে দাবি করেন। তথ্য সূত্র ধরে বোঝা যাচ্ছে যে কোভিড-১৯ আসলেই ল্যাবে তৈরি একটি ভাইরাস। তবে এগুলো সবই স্রেফ থিওরি।চীন সত্যিই ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে কিনা তথ্য-প্রমাণ এখনো নেই। প্রশ্ন উঠছে শুধু। আশা করা যায় উত্তর মিলবে খুব তাড়াতাড়ি।

আর এই মুহূর্তে করো না কাটিয়ে চীনের শিল্পমহল সচল রয়েছে। বর্ডার বন্ধ করে কলকারখানা এ মাসেই চালু করেছে চীন। শিল্প সংস্থা আপনাকে করোনা চিকিৎসার সরঞ্জাম তৈরির জন্যে জোর দেয়া হচ্ছে যা দরকারে বিদেশে রপ্তানি করা হবে। গ্লাভস, মাস্ক, ভেন্টিলেটর সবই তৈরি করছে তারা। সোজা করে বললে যা দাঁড়ায় তা হলো গোটা বিশ্বকে আইসিইউতে ফেলে দিয়ে এবার চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বানাচ্ছে চীন।বলাই বাহুল্য এই মহামারী থেকে বিপুল পরিমান বিদেশি মুদ্রা লাভ করেছে বেইজিং। ভাবতে পারেন এই মুহূর্তে চীনে কিন্তু জনজীবন একদম স্বাভাবিক। রেস্তোরা,টুরিস্ট স্পট, এমনকি দ্য গ্রেট ওয়াল অফ চায়না দেশি পর্যটক এর জন্য খোলা। কিন্তু বিদেশী টুরিষ্টদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। মোদ্দা কথা ক্রাইসিস কাটিয়ে উঠে পড়েছে চীন আর এবার বিশ্বের ক্রাইসিস সামলাতে বাণিজ্যের পালে হাওয়া টানছে। তথ্য বলছে এই মুহূর্তে অন্তত নয় হাজার ছোট-বড় চীনা সংস্থা নতুন করে মাস্ক বানাতে শুরু করেছে। কারণ এই সময়ে বিশ্বে মাস্কের ব্যবসা সবচেয়ে লাভজনক। আরো চমকে যাবেন পরের লেখা পড়তে গিয়ে। এই সংস্থা গুলো গত দু’মাস আগে ধরে মাস্কের ব্যবসা শুরু করে দিছে। আরেকটি রিপোর্ট বলছে এই মুহূর্তে চিনে ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ মাস্ক তৈরি হচ্ছে। তার জন্য অন্যতম “” ডন পলিমার “”। চীনের মোট প্রোডাকশনের ৪০ শতাংশই এই সংস্থার হাতে। করোনা ভাইরাসের পর থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এই সংস্থার শেয়ারদর।

গত দু’মাসে ৪১৭ শতাংশ বেড়েছে পলিমারের শেয়ারমূল্য। অংশীদারিত্বের নিরিক্ষে এই সংস্থার হাতে রয়েছে ১৯০ কোটি ডলার। মানে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা! কে জানে এটাই হয়তো কৌশল। আর চীন যে মহামারীকে বাণিজ্যের স্বার্থে ব্যবহার করছে তার ইঙ্গিত দিচ্ছি আরো একটি তথ্য দিয়ে। স্পেক্টেটর এর একটি ম্যাগাজিন সূত্র বলছে, চীনে যখন করোনা সংক্রমণ চরমে পৌঁছায় তখন বন্ধুরাষ্ট্র ইতালি বেইজিংয়ে বিনামূল্যে PPE সরবরাহ করে। এখন ইতালির সংকটের সময় সেই PPE ইতালির কাছেই চড়া দামে বিক্রি করতে চায় বেইজিং!এখন এই সম্বন্ধে শুধু আমি বা আপনি নয় এই প্রশ্নটা আসছে পৃথিবীর প্রত্যেকটা প্রান্ত থেকে আর তাতেই জোরদার হচ্ছে খটকাটা। ব্যবসা-বাণিজ্য তো চলছে লোকজন বাইরে বের হচ্ছে। চীনে প্রায় সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আরও একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেইজিং।

কি সেটা জানেন? যা শুনে জেনে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব। যে মানুষের বাজার থেকে নোভেল করোনার সূত্রপাত সেই বাজারের দরজা খুলে দিয়েছে জিনপিং এর সরকার। কেউ বলছে জেনেশুনেই প্রথম থেকে করোনাভাইরাস এর ব্যাপারে ধামাচাপা দিয়েছে চীন। কারো কারো মুখে চীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা। তবে গোটা গোটা বিশ্ব যখন প্রাণের ভয়ে প্রকম্পিত তখন দেশে “” ওয়েট মার্কেট “” বা মাংসের বাজার ফের খুলে দিল চীন সরকার। এই মাংসের বাজার থেকেই নোভেল করোনা সংক্রমনের সূত্রপাত বলেই মনে করা হয়। সংকট কাটতে না কাটতেই কি ভেবে এমন সিদ্ধান্ত নিল বেইজিং? তাজ্জব তামাম দুনিয়া।ইউহানে প্রথম কোভিড-১৯ এর মধ্যে পাঁচজন ছিলেন এই মার্কেটের কর্মী। বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি এই বাজারে বাদুড় থেকেই একে একে অন্য প্রাণী এবং মানুষের শরীরে নোভেল করোনা সংক্রমণের শুরু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতিতে দাবি করা হয়। ইউহান প্রদেশের সি-ফুড মার্কেট থেকেই করো না সংক্রমনের শুরু। বাদুড় একাধিক রকমের করোনা ভাইরাসের বাহক। সেখান থেকেই নিউটেশন হয়ে এই মরণ ভাইরাসের জন্ম বলেও দাবি বিজ্ঞানীদের। শুধু করোনা প্যানডেমিক নয় অনেকেরই দাবি ২০০২ সালে “” সার্স “”মহামারীর কারণও ছিল চীনের এই ওয়েট মার্কেট। দেশে করোনা সংক্রমনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি চাইনিজ পিপল’স কংগ্রেস ভোটাভুটি করে দেশের সব মার্কেটে তালা ঝুলানোর পক্ষে সওয়াল করে। তবে গত কয়েক সপ্তাহে চীনের করোনা সংক্রমণ চোখে পড়ার মতোই কমে গিয়েছে তারপরে খুলেছে বাজার। এই তথ্য দিয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম “” ডেইলি মেইল “”। ওয়াশিংটন এক্সামিনারের দাবি চীন মনে করছে তারা সম্পূর্ণ সঙ্কটমুক্ত। তাই ছন্দে ফেরার চেষ্টা।চীনের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ফুঁসছে গোটা পৃথিবী। সরাসরি প্রশ্ন উঠেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা নিয়ে। কেউ বলছে নোবেল ভাইরাস আসলে ল্যাবে তৈরি বায়োওপেয়ন। সেই জন্যেই ওয়েট মার্কেট খুলতে দ্বিধা করেনি জিংপিন সরকার।তর্জন তুঙ্গে।

আর এই পরিস্থিতিতে সন্দেহের বাইরে রাখা যাচ্ছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কেও।পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করছে WHO এর বিরুদ্ধেও। জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তারোআছরকটাক্ষ বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নাম পাল্টে চীনা স্বাস্থ্য সংস্থা রাখা হোক।বেইজিংয়ের রাইট-হ্যান্ড ম্যান WHO এর পক্ষে কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে আসছে বিভিন্ন দেশ থেকে। করোনা সংক্রমণ নিয়ে প্রথম থেকেই বিভ্রান্ত করেছে চীন। তথ্য লুকিয়েছে। ডাক্তারদের কন্ঠ লুকিয়েছে।প্রকাশিত সংখ্যায় গরমিল’। এমনকি মানুষ থেকে মানুষের সংক্রমণের কথা বলেছে অনেক পরে।কিন্তু এত কিছু সত্ত্বেও চীনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO এর ডিরেক্টর। জেনারেল তেদ্রোস ঘেব্রেসাস চীনের স্বচ্ছতা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেইজিংকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিনিধি তেদ্রোসের তো নিরপেক্ষ থাকার কথা। কিন্তু পদে-পদে দেখা গেছে তিনি চীনের পক্ষ হয়েই কথা বলছেন। অভিযোগ এর কারণ “” রাজনীতির মারপ্যাঁচ “”।

২০১৭ সালে চীনের সুপারিশে WHO এর শীর্ষ পদে বসেন প্রথম আফ্রিকান ডিরেক্টর জেনারেল তেদ্রোস ঘেব্রেসাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৭২ বছরের ইতিহাসে তিনিই প্রথম চিকিৎসক নন!ইথিওপিয়ার প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ও সংক্রামক ব্যাধি সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট। তেদ্রোসের জমানায় চীন সরকার ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি দু’পক্ষ মিলেই WHO এর ভান্ডারে অনুদান দিতে শুরু করে। এতদিন WHO এর প্রতিনিধিদের দেশে ঢুকে কাজ করার অনুমতি দিতোনা চীন।তবে তেদ্রোসের জমানায় সেই নিষেধাজ্ঞাও উঠেছে। জানুয়ারিতে করোনা তদারকিতে তেদ্রোস নিজে তার দল নিয়ে চিনে যান। প্রেসিডেন্ট জিংপিং এর সঙ্গে দেখা করেন। এতদিন চীনের দেয়া অর্ধ-তথ্যের উপর ভিত্তি করেই কাজ করেছে WHO। ২২ জানুয়ারি বৈঠকে করোনাকে “” হেলথ ইমার্জেন্সি “” ঘোষণা করতে অস্বীকার করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জানুয়ারির শেষে চীনকে “” করোনা হটস্পট “” চিহ্নিত করে চীন থেকে আমেরিকায় আসার পথ বন্ধ করেন ট্রাম্প।

সেই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তেদ্রোস বলেন “” এতে আতঙ্ক এবং স্বাস্থ্যের উপকার হবে না খুব একটা “”। শেষমেষ ১১ মার্চ করোনাকে বিশ্ব মহামারীতে ঘোষণা করে WHO! কিন্তু এতদিনে সংকট শিয়রে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো সংগঠন যারা রক্ষাকর্তার ভূমিকা নিতে পারতেন তারা ততোটাই পক্ষ নিয়ে ফেললেন যে চীনের তথ্য,চীনের পরিসংখ্যান, চীনের প্রশংসা ছাড়া আর কিছুই বললেন না। উল্টো বললেন চীন কিছুই লুকোচ্ছে না। দেশে কত মানুষ কোয়ারান্টাইনে, কতজন আইসোলেশনে,তার তথ্য আমরা চীনের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমিশন থেকেই নিচ্ছি। WHO চীনের দেয়া তথ্য নিয়েই কাজ করবে বলেছেন ব্রুস এল ওয়ার্ড এপিডিমিলোলজিস্ট। ফলে প্রশ্ন উঠছে জাপান ইতিমধ্যেই চীন এবং এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহন করার সোশ্যাল পিটিশন তৈরি করেছে। তেদ্রোসের ইস্তফা চেয়ে সরোব বহুরাষ্ট্র।রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে রক্ষকই প্রশ্নের মুখে।!এই মৃত্যুর মিছিল এর দায়ভার কার? আমরা সইবো কিভাবে?

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102