বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

করোনা: সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মৃত্যুহারের শীর্ষে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৭ Time View

করোনার প্রকোপে পড়েছে সার্কভুক্ত ৮টি দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষ দেশ হলো ভারত ও মৃত্যুর হারে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারতে সর্বমোট আক্রান্ত ছয় হাজার ৭৭১ জন ও মৃতের সংখ্যা ২২৮ জন।

সব খবর সবার আগে পেতে গ্রুপে জয়েন করুন 

দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮০৯ জন মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। যা সংখ্যার বিচারে একদিনে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে পাকিস্তানেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশটিতে মোট আক্রান্ত চার হাজার ৬০১ জন ও মারা গেছে মোট ৬৬ জন। এদিকে সার্কের উদ্যোক্তা দেশ বাংলাদেশে গত ৪ এপ্রিল থেকে হঠাৎ করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

দেশটিতে এখন করোনা আক্রান্ত  সর্বমোট ৪২৪ জন আক্রান্ত হয়েছে ও মারা গেছে মোট ২৭ জন। এরপরই আক্রান্তের সংখ্যায় আসছে আফগানিস্তানের নাম। সেখানে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৫২১ জন আক্রান্ত ও মৃত ১৫ জন। শ্রীলঙ্কায় আক্রান্ত ১৯০ ও মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।

এছাড়াও মালদ্বীপে ১৯, নেপালে ৯, ভুটানে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। তবে এই দেশ তিনটির জন্য আশার বাণী হলো এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। এদিকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সর্বোচ্চ হার বাংলাদেশে।

দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মৃত্যুর হার ছয় দশমিক তিন শতাংশ (৬.৩%)। আর করোনা আক্রান্ত রোগীর সুস্থতার সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। সেখানে আক্রান্তদের মধ্যে ২৬ দশমিক তিন শতাংশ মানুষ এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সার্কভুক্ত দেশগুলোতে এখন পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত ১২ হাজার ৫৪০ জন ও মৃতের সংখ্যা ৩৪৩ জন। সূত্র: ওয়ার্ল্ডোমিটার

স্পেনের দুর্দিনে ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে পাকিস্তানি ট্যাক্সিচালক!

পাকিস্তানি যুবক সিরাজ সাঈদ। তিনি পেশায় একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার। তিনি স্পেনের বার্সেলোনা শহরে তার পরিবারের সাথে বসবাস করেন। একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার হওয়া সত্ত্বেও প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের এই মহামারিতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

সংক্রমণের ভয় থাকলেও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী তার মতো আরো ১৯৪ জন পাকিস্তানি ট্যাক্সি চালক স্পেনের স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে সমগ্র স্পেনে লকডাউন ঘোষণা হয়।

তারপর থেকে প্রথমে শাহবাজ আহমেদ নামে এক পাকিস্তানি ট্যাক্সি ড্রাইভারের উদ্যোগে অন্যান্য পাকিস্তানি ট্যাক্সি চালকরা বিভিন্ন হাসপাতাল ও হেলথ কমপ্লেক্সে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের দিনে বা রাতের যেকোনো সময়ে ফ্রিতে অর্থ্যাৎ বিনা ভাড়ায় বাড়ি পৌছে দিয়ে আসেন।

এভাবেই আরো অনেক পাকিস্তানি ড্রাইভার স্পেনবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন এই দুর্দিনে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে- এভাবেই লকডাউন চলাকালীন সময়ে মোট ১৯৫ জন পাকিস্তানি ট্যাক্সি ড্রাইভার স্বেচ্ছায় স্পেনের স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা করে যাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন হাসপাতাল ও সংস্থার থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য সময় ও তালিকা তৈরি করেছে।

স্পেনের সান রুতি হাসপাতালের মতো আরো অনেক হাসপাতাল থেকে তারা স্বাস্থকর্মীদের নিয়ে বাড়িতে পৌছে দেন বা বাড়ি থেকে কর্মস্থলে নিয়ে আসেন। স্পেনের একজন পাকিস্তানি ট্যাক্সি চালক আসিম গোন্ডাল বলেন, করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় স্পেনের স্বাস্থ্যকর্মীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করতে হয়।

তারা বাড়ি ফেরার জন্য সাধারণত পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে থাকেন। তাই আমরা মানবতার জন্য তাদের পাশে দাড়িয়েছি। এতে করে পরিবহণের পেছনে তাদের সময় নষ্ট হবে না। আসিম গোন্ডাল স্পেনে তার পরিবারের সাথে ২০ বছর ধরে বসবাস করছেন।

তাই স্পেন এখন তার কাছে নিজ বাড়ির মতো। গোন্ডাল বলেন, আমরা যতদিন পারবো, এই সেবা দিয়ে যাবো। স্পেনের আরো একজন পাকিস্তানি ট্যাক্সি চালক সিরাজ সাঈদ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ মহামারী আকার ধারণ করার পর আমরা স্বাস্থ্যকর্মীদের ফ্রি ট্রাক্সি সেবা দেয়া শুরু করি।

তবে আমাদের সব সময়ই ভাইরাসে আক্রান্তের ভয় থাকে। কখনো তারা (স্বাস্থ্যকর্মীরা) আমাদের বাড়িতেও খাওয়া-দাওয়া করেছেন। সাঈদ বলেন, আমরা এই কাজের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরণের অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিই না।

সারাদিন স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা দিয়ে ট্যাক্সি নিয়ে যখন বাড়ি ফিরে যান, তখন তিনি তার স্ত্রী বা তিন সন্তানের কাউকে জড়িয়ে ধরতে পারেন না। কারণ করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে, এবং তিনি বাইরে থেকে আসছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বার্সেলোনার মেট্রোপলিটনে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ২০ শতাংশ ড্রাইভার প্রতিদিন গাড়ি চালাতে পারবে। প্রত্যেক ড্রাইভারের মাসে একটি সপ্তাহ কাজ করার সুযোগ রয়েছে। স্পেনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্পেনের বার্সেলোনায় প্রায় ৪৩ হাজার পাকিস্তানি বাস করছে।

আর সারা স্পেনে রয়েছে ৮৯ হাজার পাকিস্তানি। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত স্পেনে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আর দেশটিতে মোট আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এক লাখ ৫২ হাজার। সূত্র: আল জাজিরা

সব খবর সবার আগে পেতে গ্রুপে জয়েন করুন 

cover photo, No photo description available.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102