বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

করোনা ভাইরাস আ’তঙ্ক : সিঙ্গা পুর ফেরত স্বামী ছেড়ে পালালেন স্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৪৪ Time View

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সিঙ্গাপুরফেরত এক ব্যক্তি করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন এমন আতঙ্কে তাকে ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে গেছেন স্ত্রী। এরপর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী তার সঙ্গে বন্ধ করে দিয়েছেন চলাফেরা।

সিঙ্গাপুরফেরত ওই ব্যক্তির নাম আব্বাস আলী (৪২)। তিনি উপজেলার দেউলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেল। গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সিঙ্গাপুর থেকে নিজ বাড়ি আসেন আব্বাস।

সিঙ্গাপুরফেরত আব্বাস আলী বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাড়ি আসি। পরদিন ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশে বাজারে যাই। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে সন্দেহ করে বলে তোমার শরীরে করোনাভাইরাস আছে। এজন্য তোমাকে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, ছুটিতে এসেছি- আমার শরীরে করোনাভাইরাস নেই। বার বার স্থানীয়দের বিষয়টি বুঝিয়ে ব্যর্থ হই আমি।

এ অবস্থায় রোববার সকালে আমাকে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমাকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে নেয়া হয়। টাঙ্গাইল হাসপাতাল থেকে আমাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

আব্বাস আলী বলেন, এ সময়ে আমি দেশে এসে বিড়ম্বনায় পড়েছি। আমার শরীরে করোনাভাইরাস নেই। এ ভাইরাসের কোনো লক্ষণও নেই। তারপরও আমাকে ধরে এনে হাসপাতালে বসিয়ে রেখেছে। হাসপাতাল থেকে প্রথমে বলেছে দুদিন আমাকে এখানে রাখবে। তারপর বলছে, আমাকে ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। অথচ আমার শরীরে কোনো সমস্যা নেই। তারপরও আমাকে নিয়ে কেন এত টানাহেঁচড়া বুঝতে পারছি না। বাধ্য হয়ে আমি এখন ঢাকায় যাচ্ছি।

আব্বাস আলীর মা বলেন, আমার ছেলে পুরোপুরি সুস্থ। আমার ছেলের শরীরে কোনো ভাইরাস নেই। মানুষ আমার ছেলেকে শুধু শুধু হয়রানি করছে।

আব্বাসের শ্যালক বলেন, করোনাভাইরাস সন্দেহে এলাকার মানুষ তার সঙ্গে কথা বলে না। তার কাছে আসে না। দুলাভাই ছুটিতে এসেও পরিবারকে সময় দিতে পারছে না। পাশাপাশি এলাকার মানুষের কাছেও যেতে পারছে না। আতঙ্কে বোন আমাদের বাসায় চলে এসেছে।

বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এসএম জামাল বলেন, খান বাহাদুর নামে এক চেয়ারম্যান এ তথ্য আমাদের জানান। আমরা জানতে পেরেছি কয়েক দিন আগে আব্বাস বিদেশ থেকে এসেছেন। আসার পর স্বাভাবিকভাবে কারও সঙ্গে মিশতেন না। সবাই সন্দেহ করে তাকে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তবে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ তার শরীরে নেই।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম সজীব বলেন, এলাকাবাসীর সন্দেহের কারণে আব্বাস আলী প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে যান। পরে সেখান থেকে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তার মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো নমুনা জ্বর বা ঠান্ডাও নেই। তবুও তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সিঙ্গাপুর থেকে আব্বাস আলী যখন দেশে আসেন তখন তার শরীরে কোনো করোনাভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এমনকি বিমানবন্দরের স্ক্যানারেও জ্বরের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর উদ্বেগের কারণে এ সমস্যা হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102