শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

করোনাকে সাথে নিয়ে কোনদিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৪৯ Time View

করোনাকে সাথে নিয়ে কোনদিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ? প্রশ্নের উত্তর ৮০% মানুষের জানা নাই।

১০% মানুষ ধারনায় ঘোরপাক খাচ্ছে আর বাকি ১০% এর মধ্যে ৮% আছে একে অন্যকে দোষারোপ দিচ্ছে আর সর্বশেষ ২% এর সুচিন্তাকে পাত্তা দিবেনা অন্যরা। অবাক হচ্ছেন কথা শুনে? অবাক হবারই কথা।কারণ মহামারী করোনাকে ৮০% মানুষই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো ভাবছে।মনে করতেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন কিছুদিন কষ্ট দিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মাঝে ফিরতে শুরু করে তেমনি বোধহয় করোনাও কিছুদিন থাকবে।এবং নিজের মতো করে হয়তো ফিরে যাবে! বাংলায় একটা কথা আছে যে,””স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন””।আমি এই কথার সুরে একটু আগাতে চাই।সেটা হলো করোনাকে মোকাবেলা যতো সহজ তার চেয়েও করোনায় বিধ্বস্ত হতে যাওয়া আগামীর জীবনযাত্রার মাঝে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা বড্ড কঠিন ও দুঃসাধ্য।বর্তমান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পথ চলতে থাকা বাংলাদেশ সেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আর কবে পাবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারবেনা। আচ্ছা একটা প্রশ্ন করি আপনাদের কাছে।বিশাল একটা বাড়ির দাড়োয়ানের কাজ কি? আপনি নিশ্চয়ই বলবেন যে,বাড়ি পাহাড়া দেয়া তাইনা? আচ্ছা চোর বা ডাকাতকে পাহাড়া দেয়াটার নামই কি বাড়ি পাহাড়া দেয়া?

এবারও আপনি বলবেন যে,সেকি কথা? বাড়ি পাহাড়া দেয়ার মানেইতো যেনো বাড়ির আয়ত্তে থাকা কোনো কিছুর যেনো ক্ষয় ক্ষতি না হয়।দাড়োয়ানের কাজইতো হচ্ছে বাড়ির মানুষগুলো রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোবে।তাদের সম্পদ এর চিন্তা করতে হবেনা।কারন একজন দাড়োয়ান তখন মনে হয় যেনো পুরো বাড়িটার সমস্ত জিনিসেরই দাড়োয়ান তথা অভিভাবক। ঠিক তেমনি আমি যদি নিজেকে দাড়োয়ান ভাবি তাহলে আমার বাড়িটার হেফাজতের চেষ্টা আমার।আমি যদি এলাকার চৌকিদার হই তাহলে এলাকার হেফাজতের চেষ্টা আমার।আমি যদি এলাকার মেম্বার বা জনপ্রতিনিধি হই তাহলে সেই গ্রামের হেফাজতের চেষ্টা আমার।আমি যদি চেয়ারম্যান হই তাহলে আমার আয়ত্তে থাকা কয়েকটি গ্রামের হেফাজতের চেষ্টা আমার।আমি যদি এমপি হই,আমি যদি মন্ত্রী হই,আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হই তাহলে দেশকে হেফাজতের চেষ্টা তো আমারই তাইনা? এটাতো আমি আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে প্রশ্ন করলাম আর নিজেই উত্তর দিয়ে স্বীকার করলাম।কিন্তু সত্যিকারের একটি বাংলাদেশ আছে।সেদেশের একজন প্রধানমন্ত্রী আছে।অনেক মন্ত্রী আছে।তার চেয়েও বেশি এমপি আছে।এমপির চেয়েও বেশি চেয়ারম্যান আছে।চেয়ারম্যান এর চেয়েও বেশি মেম্বার আছে।

আর মেম্বার,চেয়ারম্যান,এমপি,মন্ত্রী,প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও দেশের গরীব অসহায় জনতার হিসেব অনেক অনেক বেশি। কিন্তু আমরা সচেতন আছি কতোজন এই করোনা মহামারীর ভবিষ্যত অপেক্ষমান সময়ের চিন্তায়? এক এক করে বিভাগ,জেলা,উপজেলা,থানা,শহর,গ্রাম,মহল্লা থেকে বাড়িতেও কার্যকর হচ্ছে লক ডাউন।সবাই যার যার অবস্থানে স্থবিরতায় নজর দিতে হবে।হয়ে যেতে হবে অভিজাত শপিংমলের দোকানের সামনে দাড়িয়ে থাকা বাহারি কাপড় পড়ে রোবট/ডল এর মতো।নামাজ পড়তে যেতে পারবানা,বাজার করতে যেতে পারবানা,জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজেও যেতে পারবানা,খেলাধুলা করতে পারবানা,এটা করতে পারবানা,ওটা করতে পারবানা।পারতে হবে শুধু ঘরে আবদ্ধ থাকতে।যাদের খাবার আছে, যতোদিনের আছে ততোদিন খাইবা আর ঘুমাইবা।আর যারা দিন আনে দিন খায় তাদেরতো রমজান এর রোজা পালনের সময়। কয়দিন এভাবে থাকবেন বলুনতো? একমাস,দুমাস,তিনমাস,তারপর? সাধারন জনতা মেম্বারকে খুঁজবে পেটের ক্ষুধা কি দিয়ে ঘুচাবে,মেম্বার চেয়ারম্যান কে খুঁজবে সাধারন জনতার আকুতি মেটাতে,চেয়ারম্যান এমপিকে খুঁজবে মেম্বারদের ডাকাডাকি বন্ধ করাতে,এমপি খুঁজবে মন্ত্রীকে,মন্ত্রী খুঁজবে প্রধানমন্ত্রীকে আর প্রধানমন্ত্রী কাকে খুঁজবে? সবাইইতো করোনা মহামারীর ছাতার নিচে! এটাতো গেলো নেতিবাচক ধারনা।এবার আসি ইতিবাচক ধারনায়।

আচ্ছা ধরুন তিনমাস করোনার প্রভাবে মানুষ নিঃস্ব।আর এই তিনমাস পর সরকার কিংবা সাধারন জনতার অর্থনৈতিক মেরুদন্ড সোজা থাকবে?উঠে দাড়ানোর মতো ভড় দেয়ার লাঠি থাকবে?যেখানে সরকারকে হতে হবে নিঃস্ব সেখানে জনতাকে কে করবে স্বাবলম্বী বা ঘুরে দাড়াতে সাহায্য? আপনি কি মনে করেন করোনা ভাইরাসের প্রকট সংকীর্ণতার মাঝেও দেশ কর্নধাররা তাওবা করে চাল চুরি,টাকা চুরি,মিথ্যা প্রলোভন বন্ধ রাখবে?যদি তা ভাবেন তাহলে আপনি ভুলে আছেন।ত্রান,চাল,টাকা চুরি রোধ করবে কে? তার পরিচয় কি? সে যে ক্ষমতাবান তার সেই ক্ষমতার উৎস কি? পায়ই বলে থাকি,নেশাখোরের বিচার নেশা বিক্রেতার কাছে দেয়ার মুল্য কখনও সুখকর হতেই পারেনা।

লকডাউন এর প্রথম স্তরের নাম ছিলো বিমানবন্দর লকডাউন কিন্তু আমরা কি দেখলাম? সারা বিশ্ব যেখানে তাদের নিজ নিজ দেশ ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচাতে নিজ নিজ নেতাকর্মীদের রাস্তায় নেমে হলেও ভাইরাস আক্রান্ত জনতার কাছ থেকে সুস্থ মানুষদেরকে আলাদাকরন প্রক্রিয়ায় নজর দিতে বলেছেন সেসময় আমাদের দেশের করোনা ভাইরাসের প্রধান আমদানী পথ বিমানবন্দরে পরীক্ষাবিহীন প্রবাসীদেরকে দেশে বিচরনের অনুমতি দেয়া হয়।এর পর ঘুষের বিনিময়ে পরীক্ষা না করে কর্মকর্তারা সবুজ পতাকা দেখিয়ে প্রবাসীদেরকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিলো। অথচ আজ রাস্তায় পেটায় পুলিশ,কাউন্সিলররা।সেনাবাহিনি টহল দেয়।চেয়ারম্যান মেম্বাররা জনতাকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে দ্বারে দ্বারে গিয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102