বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

ইন্তেকাল করেছেন ওমানের সুলতান আল কাবুস বিন সাইদ !

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩৯ Time View

ওমানের সুলতান আল কাবুস বিন সাইদ আল সাইদ ইন্তেকাল করেছেন ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুলতান তিনি ইন্তেকাল করেছেন বলে শনিবার ভোরে ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।খবর বিবিসির।

গত মাসে বেলজিয়াম থেকে চিকিত্সা শেষে তিনি দেশে ফিরেছিলেন। তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন জানা গেছে। সুলতান কাবুস ১৯৭০ সালে ব্রিটিশদের সহায়তায় একটি র’ক্তহীন অভ্যুত্থানে তাঁর পিতাকে পদচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করেছিলেন আল কাবুস ।

এটি ইসলামের প্রথম মসজিদ যার ভিত্তি স্থাপন করেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মুহাম্মদ (সা.) !

কুবা ম’সজিদ (আরবি:مسجد قباء) সৌদি আরবের ম’দিনায় অবস্থিত। এটি ইস’লামের প্রথম ম’সজিদ। হিজরতের পর মুহাম্ম’দ (সা.) এই ম’সজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন। এখানে তিনি বেশ কিছুদিন অবস্থান করেছিলেন।

ম’সজিদটি ম’দিনা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত। এর দূরত্ব ম’সজিদে নববী থেকে পাঁচ কিলোমিটারের মতো। রাসুল (সঃ) নবুওয়াত পাওয়ার পর এটাই প্রথম ম’সজিদ, এমনকি ইস’লামের এবং উম্মতে মোহাম্ম’দির প্রথম ম’সজিদ।

ম’সজিদে হারাম, ম’সজিদে নববী এবং ম’সজিদে আকসার পরই ম’সজিদে কুবার সম্মান ও ফজিলত। এ ম’সজিদের আলোচনা কোরআনে করা হয়েছে এবং ম’সজিদ সংলগ্ন অধিবাসীদের একটি বিশেষ গুণের প্রশংসা করা হয়েছে। ম’সজিদে কুবায় নামাজ আদায়ে অ’ত্যাধিক ফজিলত রয়েছে।

ম’সজিদে কুবায় নামাজের ফজিলতের কথা অসংখ্য হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেমন- হযরত ইবনে উম’র রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অশ্বারোহণ করে কিংবা হেঁটে ম’সজিদে কুবায় আগমন করতেন এবং দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন। অন্য এক হাদিসে রয়েছে, প্রতি শনিবারে রাসুল সা. কুবায় আগমন করতেন। (বুখারি-মু’সলিম)।

আরেক হাদিসে বর্ণিত আছে, ম’সজিদে কুবায় নামাজ আদায় করার সওয়াব একটি ওম’রাহর সমপরিমাণ। (তিরমিজি) রাসুল সা. আরো ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি নিজের ঘরে ভালো’ভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সুন্নাত মোতাবেক অজু করে) ম’সজিদে কুবায় আগমন করে নামাজ আদায় করে তাকে একটি ওম’রাহর সমপরিমাণ সওয়াব দান করা হবে। (ইবনে মাজাহ)

তাই তো রাসুল সা. এর যুগ থেকেই প্রতি শনিবার ম’সজিদে কুবায় নামাজ আদায় করার জন্য গমন করা ম’দিনাবাসীর অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। বর্তমানেও তাদের এই আমল অব্যাহত রয়েছে। হ’জরত মোহাম্ম’দ (সা.) পবিত্র রবিউল আওয়াল মাসের প্রথম দিন আল্লাহর নির্দেশে ম’ক্কা থেকে ম’দিনা অ’ভিমুখে হিজরত করেন।

আর এ হিজরতের মধ্য দিয়ে ম’দিনা শহরকে কেন্দ্র করে ইস’লাম ও কোরআনের বাণী বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। রাসূলের (সা.) হিজরতের পর সাহাবীরাও পর্যায়ক্রমে ম’দিনা গমন করেন। হ’জরত মোহাম্ম’দ (সা.) নিজ হাতে কুবা ম’সজিদের নির্মাণকাজ শুরু করেন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

মূলত তারই তত্ত্বাবধানে ম’সজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। হ’জরত মোহাম্ম’দ (সা.) বেশ কয়েকরাত এই ম’সজিদে অবস্থান করেন এবং কসর নামায আদায় করেন। ‘কুবা’ একটি কূপের নাম। এই কূপকে কেন্দ্র করে যে বসতি গড়ে উঠেছে তাকে কুবা মহল্লা বলা হয়।

এই যোগসূত্রে ম’সজিদটির নামকরণ হয় ম’সজিদে কুবা। নবী করিম (সা.) ম’দিনায় হিজরতের প্রথম দিন কুবায় অবস্থানকালে এ ম’সজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং নির্মাণকাজে সাহাবাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। ইতিহাসবিদরা বলেন, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন এর ভিত্তি স্থাপন করেন, তখন কেবলার দিকের প্রথম পাথরটি নিজ হাতে স্থাপন করেন।

ম’সজিদে কুবা শুরু থেকে এ পর্যন্ত কয়েক দফা সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করা হয়। নবীর আমলের পর ইস’লামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান ( রা.) তার খেলাফতকালে ম’সজিদে কুবার সংস্কার ও পুনর্নিমাণ করেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আরও বেশ কয়েকবার এই ম’সজিদের পুনর্নিমাণ ও সংস্কার করা হয়। সবশেষ ১৯৮৬ সালে ম’সজিদটি পুনর্নিমাণ করা হয়।

এই ম’সজিদ নির্মাণে পুরো ম’সজিদে এক ধরনের সাদাপাথর ব্যবহার করা হয়, যা অন্যকোনো ম’সজিদে সাধারণত দেখা যায় না। চারটি উঁচু মিনার, ছাদে ১টি বড় গম্বুজ এবং ৫টি অ’পেক্ষাকৃত ছোটো গম্বুজ রয়েছে। এ ছাড়া ছাদের অন্য অংশে রয়েছে গম্বুজের মতো ছোটো ছোটো অনেক অবয়ব।

ম’সজিদটি দেখতে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ আসেন। ম’সজিদে নারী ও পুরুষদের নামাজের জায়গা ও প্রবেশ পথ আলাদা। অজুর জায়গাও ভিন্ন। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ম’সজিদের ভেতরের কারুকাজও বেশ মনোমুগ্ধকর।

মূল ম’সজিদ ভবনের মাঝে একটি খালি জায়গা আছে, সেখানেও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। দামি কারপেট বিছানো মেঝেতে মু’সল্লিরা নামাজ আদায় করেন, রয়েছে জমজম পানির ব্যবস্থা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102