শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! Splash Chia Seeds To Supercharge Your Metabolism, Burn Fat And Fight Inflammation ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

আদর্শ মানুষ তৈরি করতে কওমি মাদরাসার বিকল্প নেই:ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৮৮ Time View

সিলেটের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার শতবার্ষিকী ও দস্তারবন্দী মহাসেম্মলনের দ্বিতীয় দিন গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে উলামা সম্মেলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।

মহাসেম্মলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশে জামেয়া রেঙ্গাসহ কওমি মাদ্রাসা আছে বলেই আমরা ইসলাম ধর্মের সঠিক বিষয়াবলী জানতে পারছি। এজন্য আমাদের সরকার কওমি মাদ্রাসাগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কারণ, ইসলামি শিক্ষা না থাকলে আমাদের অস্তিত্বই থাকবে না। ইনশাআল্লাহ যথাসময়ে আমাদের সরকার কওমি মাদ্রাসাগুলোকে আরও মূল্যায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি প্রদানে আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই আন্তরিক ছিল।

১৯৯৬ থেকেই স্বীকৃতির বিষয়ে আমি কাজ করছি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলেমদের কাছে স্বীকৃতি দেয়ার ওয়াদা করেছিলেন। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি তার ওয়াদা পূর্ণভাবে রক্ষা করেছেন। অনেকেই কওমি সনদের বিরোধীতা করেছিল জানিয়ে শেখ আবদুল্লাহ বলেন, কওমি সনদের স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই বিরোধিতা করেছেন। এমনকি আমাদের দল ও জোটের অনেকেও বিরোধিতা করেছিল।

কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তার কথায় অটল, অবিচল। স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা শেখ হাসিনাকে টলাতে পারেনি। শতবর্ষী এই জামেয়ায় গতকাল সম্মেলনের ২য় দিন ছিল ধর্মপ্রাণ মানুষের উপচে পড়া ভীড়।

শীতের রাতেও বিশাল পেন্ডাল মুসল্লিপূর্ণ ছিল। চার অধিবেশনে অনুষ্ঠিত মহাসেম্মলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন জামেয়ার সরপরস্ত মাওলানা শামসুল ইসলাম খলিল, আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালিম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা শায়খ জিয়া উদ্দীন, দারুল উলুম কানাইঘাটের মুহতামিম শায়খ মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস, দারুল উলুম মইনুল ইসলাম হাটজারীর সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা শেখ আহমদ, জামেয়া মাদানিয়া দারুস সালামের শায়খুল হাদিস মুফতি ওলিউর রহমান, জামেয়ার ছানী শায়খুল হাদীস আল্লামা নযীর আহমদ ঝিঙ্গাবাড়ী, জামেয়ার শিক্ষাসচিব মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সুরাইঘাট মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা শফিকুল হক, মাওলানা শফিকুল আহাদ দিরাই, মাওলানা এজাজ আহমদ প্রমুখের সভাপতিত্বে নসিহত পেশ করেন, মাওলানা ইউসুফ আলি আসাম, বেফাকুল মাদারিস শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মাওলানা যোবায়ের আহমদ ইন্দেশ্বরী, মাওলানা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব জিরী চট্টগ্রাম, মাওলানা ফুরকান উল্লাহকে খলিল চট্টগ্রাম, মুফতি রশীদ আহমদ বরুনী, প্রফেসর হামিদুর রহমান, মাওলানা সাজিদুর রহমান বি-বাড়িয়া, জামেয়া কোরআনিয়া লালবাগ ঢাকার মুহাদ্দিস মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মুফতি আব্দুল মালিক ঢাকা, মুফতি আবুল বাশার মু. সাইফুল ইসলাম ঢাকা, মুফতি দেলোয়ার হুসাইন ঢাকা, মাওলানা নুরুল ইসলাম খান সুনামগঞ্জী, সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, ড. আ ফ ম খালিদ, মুফতি সামসুদ্দিন জিয়া পটিয়া, মাওলানা শায়েখ আব্দুল মতিন ঢাকা, মাওলানা আতাউল হক জালালাবাদী, মাওলানা ইউসুফ আহমদ হরিপুর, মাওলানা আহমদ মায়মুন ঢাকা, মুফতি আবদুল মুনতাকিম লন্ডন, মাওলানা তাহমিদে মাওলা, মাওলানা লুৎফুর রহমান ফরায়েজী প্রমুখ। মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা জহিরুল ইসলাম ও মাওলানা যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া ঢাকার আমিনুত তালীম মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, বিচ্ছিন্নতার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতার সাথে এগুতে হবে। বিচ্ছিন্নতা শুধু আকিদার ব্যাপারে নয়; বরং দ্বীনের সকল মাসায়েলের ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নতার প্রভাব রয়েছে। আমরা মনে করি, শুধু আকিদার মাধ্যমেই বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি হয়। আকিদা নয়, বরং সর্বক্ষেত্রে আমাদের মাঝে ঐক্য থাকতে হবে। মাওলানা আব্দুল মালেক আরও বলেন, আমাদের বর্তমান প্রজন্মের কিছু তরুণ আলেম শরীয়তের স্পর্শকারত বিষয়ে সিদ্ধান্তমূলক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব বিষয়ে তারা শুধু গবেষণালব্দ প্রমাণ উপস্থাপন করছে, তাহকিকি আলোচনা-সমালোচনা অনলাইন-অফলাইনে প্রচার করছে। বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের মাধ্যমে শুধু তাহকিক ফুটে উঠছে কিন্তু তারা এর সমাধান কি, বা এসবের সুদূরপ্রসারী ফলাফল সম্পর্কে একেবারেই বেখেয়াল। এসব তরুণদের ব্যাপারে আলেমদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সতর্কতার পরিচয় দিতে হবে। সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুস উস সামাদ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী, দ. সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সালাম, মাওলানা আব্দুল বারী ধর্মপুরী, মাওলানা আব্দুল মালিক রূপষপুরী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাতিয়া, মাওলান হিলাল আহমদ আহমদ হরিপুর, মাওলানা ফুরকানুল্লাহ খলীল প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102