রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশ্মীরের জামা মসজিদ বন্ধ করে জুমার নামায পড়তে দেয়নি ভারত জুমার আলোচনায় খতিবদের ডেঙ্গু-গুজব-বন্যা নিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মসজিদে গুলি করতে গিয়ে উল্টো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন সাবেক মার্কিন সেনা! ইন্টারনেট সেবা নিতে চাইলে কোরআনে শপথ নিতে হবে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আয়ের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি চুরি হয় বিমানবন্দরে লাগেজ হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায় আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে হিজরী সন সম্পৃক্ত: চরমোনাই পীর The story of success -Ashraf Ali Sohan চিত্রনায়িকা পরী মণি ও (এডিসি) সাকলায়েনের নতুন ভিডিও ফাঁস, দেখুন গোপালপুরে মসজিদে হামলায় বৃদ্ধ নিহত, সড়ক অবরাধ, আটক দুই কোম্পানীগঞ্জে দিনদুপুরে কলেজছাত্র অপহরণ ৪ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ বানিয়াচংয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আবিস্কার নিয়ে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত খুলনায় স্কুল ছাত্রীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ায় যুবক গ্রেফতার

অসুস্থ বাবার ঋণ মেটাতে হোটেলে কাজ করছে জিপিএ ৫ পাওয়া মেধাবী ছাত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২০
  • ১০৯ Time View

এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে নাটোরের বড়াইগ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস টুম্পা। বিচারক হওয়ার স্বপ্ন তার। আর তা পূরণ করতে কলেজেও ভর্তি হয় সে। কিন্তু অসুস্থ বাবার ঘাড়ে যে ঋণের কিস্তি পরিশোধের বোঝা। তাই বাবাকে সাহায্য করতে হোটেলে কাজ নিয়েছে টুম্পা। ফলে নিয়মিত কলেজে যেতে পারছে না।

জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠের আজকের সংখ্যায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে টুম্পার জীবন সংগ্রামের গল্প উঠে এসেছে।

টুম্পা খলিশাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং মেরিগাছা গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুর রহিমের মেয়ে। গত বছর পাঁচবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেছে সে।

আব্দুর রহিম জানান, তাঁর দুই মেয়ে আর এক ছেলের মধ্যে টুম্পা বড়। ছোট মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ছেলেটার বয়স মাত্র চার মাস। যক্ষ্মা হওয়ার পর থেকে আগের মতো আর কাজ করতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমিতে বাড়ি করে তুলে থাকছেন। তাই বাড়ি করার জন্য সম্প্রতি ৪ শতাংশ জমি কিনেছেন। এ জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে ঋণ নিয়েছেন তিনি। কিন্তু ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। ভ্যান চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে কিস্তি পরিশোধ করা আর সংসার চালাতে পারছিলেন না। মেয়েদের পড়ার খরচ দেওয়া তো দূরের কথা। মাসুম বিল্লা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মহাসিন বলেন, ‘মেয়েটিকে দৈনিক মজুরি দেওয়া হয় ১৫০ টাকা।’

টুম্পা জানায়, দিনে আট ঘণ্টা করে কাজ করে সে। আর রাতে দুই ঘণ্টা করে পড়ে।

খলিশাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ ন ম ফরিদুজ্জামান বলেন, ‘মেয়েটি (টুম্পা) অনেক মেধাবী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পরিচালনা পর্ষদ

সম্পাদক ও প্রকাশক:
Admin
© ২০২০ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত.মুসলিম ভয়েস কোপেরেটিভ লি.
Design By NooR IT
themesba-lates1749691102